ইহকালীন জীবনে মানুষের কৃতকর্মের মাধ্যমে অর্জিত নেকী পরকালীন জীবনে পরিত্রাণ লাভের অসীলা হবে।
তাই দুনিয়াতে অধিক নেক আমলের দ্বারা বেশী বেশী ছওয়াব লাভের চেষ্টা করা মুমিনের কর্তব্য।

 দান-ছাদাক্বাহ করা করা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম।
যার দ্বারা জান্নাত লাভ করা যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেন,
مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ مِنْ شَيْءٍ مِنْ الْأَشْيَاءِ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ دُعِيَ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ وَلِلْجَنَّةِ أَبْوَابٌ فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلاَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّلَاةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَادِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الْجِهَادِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّدَقَةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الرَّيَّانِ-
‘যে ব্যক্তি কোন জিনিসের এক জোড়া আল্লাহর রাস্তায় দান করে তাকে ক্বিয়ামতের দিন জান্নাতের সকল দরজা হ’তে আহবান করা হবে, অথচ জান্নাতের দরজা অনেক (আটটি)। সুতরাং যে ব্যক্তি ছালাত আদায়কারী হবে তাকে ছালাতের দরজা হ’তে আহবান করা হবে এবং যে ব্যক্তি দানকারী হবে তাকে দানের দরজা হ’তে আহবান করা হবে’।[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৭৯৭।]
তিনি আরো বলেন,إِنَّ الصَّدَقَةَ لَتُطْفِئُ عَنْ أَهْلِهَا حَرَّ الْقُبُوْرِ، وَإِنَّمَا يَسْتَظِلُّ الْمُؤْمِنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِيْ ظِلِّ صَدَقَتِهِ- ‘নিশ্চয়ই দান কবরের শাস্তিকে মিটিয়ে দেয় এবং ক্বিয়ামতের দিন মুমিন তার দানের ছায়াতলে ছায়া গ্রহণ করবে’।[সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৮১৬/৩৪৮৪।]
অন্যত্র তিনি আরো বলেন, صَدَقَةُ السِّرِّ تُطْفِيُ غَضَبَ الرَّبِّ- ‘গোপন দান প্রতিপালকের ক্রোধকে মিটিয়ে দেয়’।[সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৮৪০।]

আমাদের মিডিয়ার জন্য স্থায়ী জায়গা প্রয়োজন। যেখান থেকে ইসলামের সঠিক বিধান প্রচার করা হবে। স্থায়ীভাবে যেন আমরা কাজ করতে পারি সে জন্য, ইসলাম প্রচারে আমাদের সহযোগিতা করুন।




মহান আল্লাহ আপনার দান কবুল করুন।

আমীন!

Facebook Comments